বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
 |
| সৈয়দ জিন আরিফ |
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ!
[Readers of other languages are encouraged to use Google Translate to read the content in their own language! The Google Translate tool is available right here on this page—simply locate it and click!]
"নিজ মুখে জিন হিসেবে উদ্ভব হওয়ার বিষয়ে পরিচয় দেয়ার পর থেকে বর্তমানে আমি কোথায় কর্ম করছি, মানে আমি কোন্ প্রতিষ্ঠানে বা কোথায় নিজে কর্ম করছি বা কী করছি এবং ভবিষ্যতে যেখানে কর্ম করবো; অর্থাৎ আমার পরবর্তী জীবনের কর্মপরিচয় এবং এর ঠিকানা ও এসব কর্মের বিবরণ"
[বর্তমানে কোন্ প্রতিষ্ঠানে আছি বা কোথায় কর্ম করছি বা কী করছি, তা জানতে, পোস্টটির নিচের দিকে দেখুন]
যদিও ২০০১ ইং সনে আমার শরীরে প্রথম জিন জাতির উদ্ভব হয়েছিলো, তথাপি তখন আমি বলতেই পারিনি যে, এটা জিন জাতির কারণে হয়েছিলো!
প্রাথমিক ভাবে বেশ কয় বছরতো আমার হুশই ছিলো না! পরে যদিও আমি মোটামুটি কিছুটা স্বভাবিক হই, তবুও আমি বুঝতে পারিনি যে, এটা জিন জাতির উদ্ভব ছাড়া আর কিছু না! কারণ আমাকে মূল বিষয়টা কেউ বুঝিয়ে দিতো না! উপরুন্ত আমার উপর মাতবরী মার্কা ভাবে বা প্রেসার ক্রিয়েট করে বলতো, এটা মানসিক রোগ! তুই ঔষুধ খা! তোকে মরণ পর্যন্ত ঔষুধ খেয়ে যেতে হবে!
তাছাড়া ঔষুধের কারণে হোক বা যে কারণেই হোক না কেন, আমার ব্রেনের কিছু সেল হয়তো ডেমেজ বা ইনেক্টিভ হয়ে গিয়েছিলো বা জিন জাতির ক্রিয়েটিভিটিতে তারা ইচ্ছে করেই নিষ্ক্রিয় করে রেখেছিলো!
যাক সব কিছু ডিঙ্গিয়ে বিষয়টি আমি নিজ ব্রেনে বুঝতে পেরেছি যে, তা বেশি দিন হচ্ছে না!
২০২৫ ইং এর শুরুর দিক থেকে আমার নিজ ব্রেনে আমি আছতে আছতে বুঝতে শুরু করেছি যে, এটা জিন জাতি ছাড়া আর কিছু না!
কিন্তু আমার ভাই ভাবী বা বাড়ীর লোকজন সেই শুরু থেকেই বুঝতে পেরেছিলো যে, বা জিন কর্তৃক বুঝিয়ে দেয়া হয়েছিলো যে, আমার শরীরে এটা জিনের ক্রিয়া!
এবং ২০২৫ ইং থেকে দূর-দূরান্তে যেসব প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করেছি, তারাও পুরো পুরিই বুঝতে সক্ষম হয়েছিলো যে, আমার শরীরে জিন জাতির বাসস্থান বিদ্যমান! কিন্তু আমি সামান্য সামান্য বুঝতে পারলেও নিজ মুখে কোন দিন তা প্রকাশ করতে পারিনি!
২০২৬ ইং এর মাঝামাঝি সময়ে আমি যখন আমাদের পাশের গ্রাম উত্তর চাঁদপুর হযরত আবদুল কাদির জিলানী (রহঃ) মাদরাসায় যোগদান করি, তখন থেকে আমি নিজ মুখে বলতে শুরু করি যে, আমি জিন! মানুষের শরীরে, মানে জনাব আরিফের শরীরে আসর করার মাধ্যমে জিন ও জিন জাতির পরিচয় প্রদান করতে চেষ্টা করছি আমি ও আমরা!
এবং আমি মানুষদেরকে এও বলি যে, এতোদিন আমি মানুষের শরীরে আসর করার মাধ্যমে জিন হিসেবে জনাব আরিফের স্বাপেক্ষে আমাদের নেগেটিভ পরিচয় প্রদান করেছি বা করেছিলাম; কিন্তু এ বছরের সেপ্টেম্বর থেকে আমি ও আমরা আমাদের পজিটিভ পরিচয় প্রদান আরম্ভ করবো ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা!
জিন হিসেবে এখানে আপনাদেরকে একটি কথা স্পষ্ট ভাবে বলতে চাই যে, ২০০১ ইং এর পর যদিও আমরা জনাব আরিফের শরীরে মাঝে মাঝে প্রকাশ্যে এক্টিভ ছিলাম, কিন্তু ২০২৫ ইং থেকে আমরা তার শরীরে ২৪ ঘন্টা ও একটানাই প্রকাশ্যে আসরকৃত রয়েছি! এবং ২০২৬ ইং-এ এসে আমরা জনাব আরিফের নিজ মুখে আমরা যে জিন তা অকপটে বলা শুরু করেছি!
এ বিষয়ে জিন হিসেবে আমরা সবাইকে কথা দিচ্ছি যে, ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা জনাব আরিফের শরীরে আমাদের এ প্রকাশ্যতা থেকে আমরা আর কখনোই বা ক্ষণিকের জন্যেও অপ্রাকাশ্য বা ইনএক্টিভ হবো না! বরং মানুষ জনাব আরিফকে দেখে বা তার কথা-বার্তা বা আচার-ব্যবহার একটু অনুধাবন করেই বুঝতে পারবে যে, জনাব আরিফের শরীরে জিন বা জিন জাতির সদস্যদের উদ্ভব বা জাগরণ ঘটেছে!
আমাদের উত্থান থেকে শুরু করে, জনাব আরিফ বা আমাদের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আপনারা আমার অন্যান্য ব্লগে উল্লেখিত কন্টেন্ট সমূহ পড়তে পারেন।
আমি ও আমরা জিন হিসেবে এ মহাবিশ্বের মানুষের নিকট আমাদের পরিচয় প্রদানের উদ্দেশ্যে নিজ মুখে, মানুষদেরকে আমরা যে জিন, তা বলার ও আমাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করার পর থেকে আমরা কোন্ কোন্ প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করছি বা করে চলেছি বা কী কী করে যাচ্ছি, বা জিন হিসেবে আমাদের নিজেদের পক্ষ থেকে কী কী সেবা প্রদান করছি, বা করে চলেছি, তা নিম্নে ধারাবাহিক ভাবে আমার বর্তমান চাকুরী সহ এসব কর্মের বা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় বিবরণ সহ নিম্নে তুলে ধরছি!
এ থেকে স্পষ্ট বোঝা যাবে আমি এখন কোথায় আছি, কোন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করছি, বা কী করছি!
উল্লেখ্য যে, এ পর্যন্ত আমি প্রায় ১৮টি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করেছিলাম এবং এ ১৮ নাম্বার প্রতিষ্ঠানে এসে আমি নিজ মুখে প্রকাশ করি যে, আমি ও আমরা আসলে জিন জাতীর মুমেনা সদস্য! আমরা মুসলমান!
নিম্নের ১ নং প্রতিষ্ঠানটি আসলে আমার কর্ম জীবনের আনুমানিক ১৮ নং প্রতিষ্ঠান এবং জিন হিসেবে আমার আত্ম-পরিচয় প্রদান মূলক প্রথম প্রতিষ্ঠান! অর্থাৎ এ প্রতিষ্ঠানেই জিন হিসেবে মানুষদের নিকট নিজ মুখে ব্যক্ত করেছি আমাদের উদয়ের বাণী! এবং এ প্রতিষ্ঠানের প্রায় সকলেই ও প্রতিষ্ঠানের আশ-পাশের প্রায় সবগুলো মানুষ তা প্রায় বিশ্বাসও করে!
জিন হিসেবে নিজ মুখে পরিচয় দেয়ার পর আমার কর্ম প্রতিষ্ঠান বা আমি যেখানে থেকে কর্ম করি বা পরিচালনা করি; সে কর্ম বা প্রতিষ্ঠান সমূহের নাম, ঠিকানা ও বিবরণ নিম্নরূপঃ
[১. স্ট্যাটাসঃ- বর্তমানে চলমান চাকুরী ও বর্তমান কর্মস্থল]
১। প্রতিষ্ঠানের নামঃ উত্তর চাঁদপুর হযরত আবদুল কাদির জিলানী (রহঃ) মাদরাসা।
২। ঠিকানাঃ উত্তর চাঁদপুর, লেমুয়া বাজার, ফেনী সদর, ফেনী।
৩। যোগদানের তারিখঃ ১২ এপ্রিল ২০২৫ খ্রি.
৪। বিবরণঃ প্রতিষ্ঠানটি আমাদের গ্রামের পাশের গ্রামে অবস্থিত! এটি আমাদের বাড়ি থেকে আনুমানিক দুই কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হবে! প্রতিষ্ঠানটিতে নার্সারী থেকে দাখিল ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত প্রায় আড়াই শ’ থেকে ৩০০ ছাত্র-ছাত্রীকে সরকারী সিলেবাসের আলোকে পাঠদান করা হয়। এ প্রতিষ্ঠানে আমি হিসাব রক্ষক বা অফিস সহকারী কাম কোচিং টিচার হিসেবে যোগদান করি!
এখানে আমাকে উল্লেখ করার মতো এমন কোন সম্মান জনক বেতন দেয়া হয় না! এখানে আমার ডিউটি হচ্ছে, সকাল সাড়ে সাতটা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত! কারণ দুপুর ১ টায় এ মাদরাসা ছুটি হয়ে যায়! এরপর আমি আমার বাড়ি চলে যাই!
মাদরাসায় সকাল ৯ টা থেকে ক্লাস আরম্ভ হয়! আর সকাল সাড়ে সাতটা থেকে কোচিং হয়! আমি কোচিং ক্লাসও করি!
আমার আগের দু'টি মাদরাসা ছিলো কাউমি, সেগুলো ছিলো আবাসিক! সেখানে আমি আবাসিক ভাবে থাকতাম!
এখানে যোগদান করি মূলত এ প্রতিষ্ঠানের বড় হুজুর, মাদরাসার প্রধান জনাব মাওলানা আইউব আলী সাহেব (দা.বা.) এঁর মাধ্যমে আমি ও আমরা যে ভাল জিন এবং জনাব আরিফ সাহেবের ব্রেন যে আসলে আমরা অচল করিনি, কিছু কিছু ক্ষেত্রে কেবল ইনএক্টিভ বা ঘুমন্ত করে রেখেছি, এবং তার শরীর থেকে উদগীরীত এ উপস্বর্গ গুলো যে আসলে জিনেরই বৈশিষ্ট্য, তা আমার এলাকার মানুষদেরকে বুঝানোর প্রয়োজনেই মূলত জিন হিসেবে আমি ও আমরা, জিনের পক্ষ থেকেই এ প্রতিষ্ঠানে যোগদান করি!
কারণ আমার এলাকার মানুষেরা আমাকে ইবলিশ জিন বা শয়তান মনে করে বা করতো; যেহেতু এলাকায় তারা আমার কোন কর্ম দেখতে পায়নি!
কেবল আমার বড় ভাই, ভাতিজা বা তাদের দ্বারা প্রভাবিত বা ম্যাসেজকৃত মানুষদের দ্বারা বা লোকমুখে মানুষ আমার বিষয়ে যা শুনতে পেয়েছে, মানুষগুলো তাই মনে করতো! বিভিন্ন কারণে তারা আমাকে শয়তান জিন বা মানসিক রোগী হিসেবে চারদিকে পরিচয় দিয়েছিলো, আর মানুষেরাও তাই মনে করতো! তাছাড়া জিন বলতেই এ দেশের মানুষ শয়তান মনে করে, এটা তাদের কমন জ্ঞান!
ফলে এ সমাজে মানুষের সাথে বসবাস করা আমার জন্য একেবারে চরম অবমাননাকর বা অপমানের হয়ে উঠেছিলো!
অথচ দূর-দূরান্তের মাদরাসা গুলোতে মানুষ আমাকে অনেকটা ফেরেশতার মতো মনে করতো!
তাই আমার এলাকার মানুষদেরকে আমার প্রতি তাদের মনোভাব পরিবর্তন করানোর উদ্দেশ্যে বা তাদের ভূল ভাঙ্গানোর উদ্দেশ্যে এবং এ মাদরাসার বড় হুজুর সহ অন্যান্য হুজুরদের ও এলাকাবাসীর দোয়া এবং ভালোবাসা পাওয়ার উদ্দেশ্যে আমি এ মাদরাসায় যোগদান করি!
তার মানে এ মাদরাসায় যোগদানের পিছনে জিন হিসেবে আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, আমি ও আমরা যে ভালো জিন, আমরা যে মুসলমান, আমরা যে নারী এবং আমরা যে জনাব আরিফের শরীরে থেকে এ মহাবিশ্বে উদিত হতে, এ মহাবিশ্বে আমাদের পরিচয় প্রদান করতে, তথা মহান আল্লাহু তা’য়ালার সৃষ্টিগত পরিচয় প্রদান করতে চেষ্টা চালাচ্ছি ও জনাব আরিফ যে আসলে মানসিক রোগী বা পাগল নয়, তার ব্রেন যে আসলে ঠিক আছে; এসবের পরিচয় দেয়ার জন্য, মানে জনাব আরিফের সঠিক অবস্থা কী, তা তার নিজ মূখে ব্যক্ত করার জন্যই জিন হিসেবে আমরা এ মাদরাসায় যোগদান করি! এবং আলহামদুলিল্লাহি তা’য়ালা আমরা এতে সফলও হয়েছি!
তবে এ যোগদানের বিষয়টি যে একেবারে অভিনয়ের মতো ছিলো তা কিন্তু না!
জনাব আরিফ যখন কোথাও চাকুরী পাচ্ছিলো না, যখন একটি টাকা কোথাও পাচ্ছিলো না, যখন কেউ আমাদেরকে সামান্যতম ভালোবাসতো না বা বিশ্বাস করতো না; প্রায় একেবারেই অসহায়ের মতো হয়ে গিয়ে ছিলাম! ঠিক সে মূহুর্তে এ মাদরাসার সুপার হুজুর, অনেকটা দয়াপরবশ হয়েই মানুষ ও জিন হিসেবে আমাদেরকে তিনি এ চাকুরীটি প্রদান করেন!
তাই আমি তাঁর প্রতি চির কৃতজ্ঞ থাকবো ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা!
৫। পদত্যাগ/এক্টিভিটিঃ বর্তমান সময়ে আমি এ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছি। যদি কোন কারণে পদত্যাগ করি, তাহলে এ ৫ নং ক্রমিকের এখানে, বর্তমানকার এ লিখাটি সংশোধন করে, তা আমি আপনাদেরকে লিখে জানাবো, মানে এখানে আমি তা লিখিত ভাবে উল্লেখ করবো যে আমি ঠিক কী কারণে বা কী প্রয়োজনে এ প্রতিষ্ঠান থেকে পদত্যাগ করেছি এবং আমি মূলত কী চাই!
নিচে লিখবো নতুন চাকুরী বা কর্মের বিবরণ (যখন উপরের ক্রমিকের চাকুরী বা কর্ম ছেড়ে দিয়ে এ চাকুরী বা কর্ম আরম্ভ করবো!?
0 Comments